প্রথম প্রকার হলো অশিক্ষিত অসভ্য। এরা গ্রামের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, যাদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি, অথবা শহরের প্রান্তিক মানুষ। তাদের অসভ্যতা মূলত অজ্ঞানতা থেকে আসে। এই মানুষদেরকে বোঝানো যায়। আপনি যদি তাদের শিক্ষা দেন, তারা শিখতে চায়; তাদের মূর্খতা ও বর্বরতাকে সভ্যতার দিকে আনা সম্ভব। এই অশিক্ষিত অসভ্যদের অসভ্যতার বর্বরতাকে আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন।
দ্বিতীয় প্রকার হলো-
শিক্ষিত অসভ্য, এরা সমাজের সেই শ্রেণী, যারা নিজেদের অসীম জ্ঞানী মনে করে। বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, পত্রপত্রিকা, এমনকি রাষ্ট্রের policymaking-এ এদের সরব উপস্থিতি। এরা সমাজ, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রের ভারসাম্যকে নিজেদের চোখে সঠিক বলে মনে করে এবং বিশ্বাস করে they are the only sophisticated animals in the world। তারা মনে করে, তারাই একমাত্র সমাজ, রাষ্ট্র ও সরকারের যেকোনো policy, প্রথা ও values তৈরি করার অধিকার রাখে।
এই শ্রেণীর সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, তাদের ভুল তারা কখনোই স্বীকার করতে চাইনা । তারা ভাবতেই পারে না যে তাদের চিন্তার ভ্রান্তি থাকতে পারে এবং তাদের এই ভ্রান্ত চিন্তা সমাজ ও রাষ্ট্রের ধ্বংস ডেকে আনতে পারে। হাজারবার বোঝালেও কোনো লাভ নেই। তারা কোনো সমালোচনা শুনবে না, কারও কাছ থেকে শিখবে না, কারণ তারা মনে করে তারা এই সুপেরিয়র সবার থেকে।
এই শিক্ষিত অসভ্যতার বর্বরতা এতটাই গভীর ও বিধ্বংসী যে তা কল্পনারও অতীত। আল্লাহ আমাদের উভয় ধরনের অসভ্যতার হাত থেকে রক্ষা করুন।

No comments:
Post a Comment