দেখেন আগের যত দার্শনিক, ফিলোসফার, সমাজবিদ ছিল, তাদের যেকোনো লেখায় আপনি একটা বিষয় খেয়াল করবেন? সেটা হচ্ছে রাজ্য চালনা বা রাষ্ট্রপরিচালনা কিবা জাতির নেতৃত্ব দেওয়াটা মূলত আভিজাত, উচ্চমানের নৈতিক আদর্শসম্পন্ন ব্যক্তি এবং উঁচু দরের জ্ঞানী লোকদরেরই মানায়। ফকিন্নি, গরিব, নিচু মানসিকতাদেরন জন্য রাজনীতি নয় , রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব তো নই মোটেই। কারণ এই ফকিন্নি গরিব ও নিচু মানসিকতার লোকেরা যখনই জাতির নেতৃত্বের পর্যায়ে যাবে তখনই তারা হয় দুর্নীতি করবে অথবা বিভাজন বিভক্তি এবং স্বৈরাতান্ত্রিকতা পরিচালিত করে দেশে অশান্তি বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে। এবং ইতিহাসে এর উদাহরণ আপনি ভুরিভুরি দেখবেন। রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে মূলত অভিজাতদেরকেই মানায়। এই অভিজাত হবে কারা এবং অভিজাতের সংগায়য়নটা কি হবে? এই অভিজাত হবে উচু বংশীয়, সুশিক্ষিত, উঁচ্চ নৈতিক আদর্শ, আধ্যাত্মিক শক্তি সম্পন্ন এবং ধনীরা। আর এদের বাদে সব জনসাধারণই হবে মধ্যবর্তী। আর এদের নিচু পর্যায়ের লোকগুলোই হচ্ছে ফকিন্নি গরিব এবং নিচু মানসিকতার। মাঝে মাঝে জনসাধারণের মধ্য থেকেও জাতীয় নেতৃত্ব বের হয়ে আসতে পারে এবং সে সুযোগটা রাখা উচিত। তবে কখনোই নিচু মানসিকতার লোকদেরকে জাতীয় নেতৃত্ব যেন না যাইতে পারে সেটা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
এই যে দেখেন আফ্রিকান কিবা এশিয়ান ও ল্যাটিন আমেরিকার প্রায় সব দেশই গরিব, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং রাজনৈতিক অস্থিরতায় কেন জর্জরিত? তার অন্যতম কারণ হচ্ছে এসব দেশের নেতৃত্ব বা নেতারা সমস্তই হচ্ছে ফকিন্নি গরিব ও নিচু মানসিকতার। পৃথিবীর যতগুলো গরীব রাষ্ট্র আছে এবং থার্ড ওয়ার্লড কান্ট্রি রয়েছে, প্রত্যেকটার নেতা বা জাতীয় নেতৃত্ব হচ্ছে ফকিন্নি গরিব আর নিচু মানসিকতার তবে ব্যতিক্রমও হতে পারে।
No comments:
Post a Comment