সমাজ আসলে কি ? এই কোশ্চেনটা যদি আমরা করি, যে উত্তরটা পায় ,তা কিন্তু খুবই স্বাভাবিক এবং খুবই সহজ। মানুষ সহজেই বুঝতে পারে, এমন একটা কোশ্চেন, আসলে সমাজ কি?
সমাজ হচ্ছে মানুষের একাকিত্বকে ডিনাই করা, মানুষের একাকিত্বের বিপরীত অবস্থাকে আমরা সমাজ বলতে পারি। ফলে একজন ব্যক্তি যখন একাকীত্ব ফিল করে তখন বুঝতে হবে ব্যক্তির সমাজের সাথে নিজেকে এডপ্ট করতে পারছে না । একাকীত্বকে রুখে দিতেই মূলত সমাজের প্রয়োজন। মানুষ কখনোই একাকীত্বকে ভালবাসেনি একা ও থাকেনি সে সবার মাঝে নিজের পরিচয় আত্ম উপলব্ধির মাধ্যমে সে নিজেকে চিনেছে নিজেকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে এবং এটার অধিকাংশ ক্রেডিট যাবে সমাজের প্রতি। যদিও সমাজ কোন সেলফ ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিষয় না, সমাজ হচ্ছে একটা বিষয় যে মানুষের উপরই নির্ভর করে সে আসলেই কেমন সমাজ চাই কিভাবে চাই কাদের সাথে চায়। সমাজের পরিচয় ফুটে ওঠে ব্যক্তি বর্গের উপর। সমাজের সব ব্যক্তিরা যখন তাদের ইন্ডিভিজুয়ালিটি কে বাই পাস করে সমগ্র হয়ে ওঠে তখনই একটা সমাজ সার্থকতা লাভ করে। সমাজের আরো অনেক বিষয় আছে যা ব্যক্তি থেকে সমাজে প্রবাহিত হয়। সমাজের কোন চাওয়া-পাওয়া নেই ,চাওয়া পাওয়া মূলত ব্যক্তির। সমাজের কোন চাহিদা নেই, চাহিদা মূলত ব্যক্তির। সমাজে এর আসলে কোন কিছুরই প্রয়োজন নেই ,সমস্ত প্রয়োজন মূলত ব্যক্তির। সুতরাং ব্যক্তির কমফোর্ট কে পূরণ করতেই সমাজের আবির্ভাব ,সমাজের প্রয়োজন। সমাজ ব্যক্তিকে কমফোর্ট করবে, ব্যক্তি-সমগ্র কে কন্ট্রোল করবে এবং ব্যক্তি ও ব্যক্তির সমূহের সমস্ত কিছুকে ধারণ করে সমাজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এর বাইরে মূলত সমাজের কোন কিছুই নাই। সমাজের অস্তিত্বও নেই সমাজের নিজ পরিচয় বলে কোন কিছুই নাই। আর সমাজ কি এর সহজ উত্তর হচ্ছে এটাই।
No comments:
Post a Comment