(১)
What is the perception of sexuality and sex education in society?
সেক্সুয়্যালিটি! এই ধারণা এখন একধরনের সর্বজনীনতা লাভ করতে জাচ্ছে যেন একে সোসাইটি-তে ওপেনলি প্রকাশ করতেই হবে। আর এইটার জন্য আমদের সুশীল আর অভিজাত পাড়ায় তোড়জোড় চলছে পুরোদমে ।এমন এক প্রাতিষ্ঠানিকভাবে রূপ দিতে হবে যেখানে আমাদের সমাজের শিশুরা সোশ্যালাইজেশন-এর সাথে সাথে সেক্স এডুকেশন নিয়েই বড় হবে। আচ্ছা, সত্যিই কি এটা খুব জরুরি? এটা না হলে কি সোসাইটি পিছিয়ে পড়বে? সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন, সেক্সুয়াল ফেনোমেনন এইসবকে এখন ন্যাচারাল বলে মেনে নিতে হবে, আর আমাদের শিশুদেরও শেখাতে হবে যে সেক্স এবং সেক্স রিলেটেড থিংস হলো অত্যন্ত স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে ,বাট ইজ ইট রিয়েলি ন্যাচারাল? এই সেক্স এডুকেশন কি উল্টোভাবে আমাদের মধ্যে ইনডিসিপ্লিন বা অনুশাসনহীনতা তৈরি করবে না? এর নিশ্চয়তা দেবে কে?
আর প্রশ্ন হলো, আমাদের সোসাইটি কি আসলেই সেক্স এডুকেশন অ্যাকসেপ্ট করতে প্রস্তুত? আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে, সেক্স ও সেক্সুয়াল থিংস যতই ন্যাচারাল হোক না কেন, এগুলো হিউম্যান লাইফে সব সময়ই ছিলো সো কলড প্রাইভেট এবং পার্সোনাল বিষয়।
(২)
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো—সেক্সুয়াল রিলেটেড থিংস সম্পর্কিত ইনফরমেশন, এবং এই বিষয়ক ধারণা ও এডুকেশন, আমাদের শিশুরা অনেকটাই কমন ইনস্টিঙ্কট থেকে ন্যাচারালি শিখে ফেলে ,যদিও প্রত্যেক অভিভাবক, সমাজ বা সংস্কৃতি এই বিষয়ে কিছু না কিছু আপত্তি রাখেই। এবং তারা জড়তা থেকেই নিজেদের সন্তানদের এইসব বিষয় শেখাননা ফলে একধরনের ঝামেলা সবসময়ই ছিল এটাও মাথায় রাখা জরুরি । এবং শিশুরা একধরনের ক্রটি নিয়া বড় হই সামাজিকায়নে আর সামাজিকতাই ।
আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, অনেকেই মনে করেন যে রিলিজিয়নস এসব সেক্স এডুকেশন দিতে চায় না। কিন্তু আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, এই রিলিজিয়নসই বরং সবচেয়ে বেশি ওপেন ছিল সেক্স এডুকেশন নিয়ে তাদের চেয়ে এইসব বিষয় ওপেনলি কেউই আলোচনা করেনি। আপনি ধর্ম গ্রন্থ গুলার পাতায় পাতায় পাবেন অনেক শিক্ষা । তবে, এই ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বড় বাধা আমার মনে হয় সোশ্যালি কনজার্ভড পিপল, যারা নিজেদের সামাজিকতা কে রিলিজিয়নাল ভেইল দিয়ে ঢেকে নিতে চায় এবং নিজেদের ও তাদের সামাজিক নৈতিকতা কে প্রশ্নের বাইরে রাখতে চায়। ফলে সুশীল সমাজের একটা অংশ মনে করে রিলিজিয়ন-ই হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা।
(৩)
আমাদের সোসাইটিস সব সময়ই ছিল কনজারভেটিভ এবং প্রোটেকটিভ। হিস্টোরিয়ানস যেভাবে বলেন যে সমাজে এক সময় সেক্স, সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন, আর সেক্স রিলেটেড থিংস ওপেনলি অ্যাকসেপ্টেড ছিল এসব হচ্ছে ভাউতা, বিভ্রান্তিকর ইনফরমেশন, এবং জাস্ট স্পেকুলেশন।
সুতরাং, কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে আমাদের সমাজে কখনো এই সেক্সুয়াল থিংস ওপেনলি স্বীকৃত ছিল। তাই এখন যে সেক্সুয়ালিটির যে রমরমা অবস্থা, সেখানে সেক্স এডুকেশন আর সেক্সুয়ালিটি সমাজে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতিই তৈরি হয়েছ তা কতটা পজেটিভিটি নিয়া আসবে তাও আমাদের ভাবনায় রাখতে হবে ।
(৪)
আমাদের কে মনে রাখতে হইবে যে সেক্স কোন কালেই ওপেন ছিল না । সেক্স নিয়া মানুশের এক ধরনের জড়তা ,গোপনীয়তা, সংকোচ এবং নীরবতা ছিল সুতরাং একে জোর করে সমাজ ও সামাজিক পিপল কে মানতে বাধ্য করা ঠিক হবে না বলে আমি মনে করি। তাছারা আমাদের শিশুরা এমনিতেই ওভার কনফিডেন্স আর সাহসিকতা নিয়া বড় হচ্ছে তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে তারা এইসব গুনের অধিকারি হলেও তাদের মাঝে নৈতিকতা আর গুড সামাজিকতার বড্ড অভাবজনিত কারনে এই সেক্সউয়ালিটি আর ওপেন সেক্স এডুকেশন যে এক ধরনের সোসাল ডিজ-অরগানাজেশন আর ইনডিশিপ্লিন পরিস্থিতি তৈরি করবে, এইটা নিশ্চিতই বলা যাই। আর আমাদের সমাজের এলডারস রা এই পরিস্থিতি সহজেই গ্রহন করবে বলে আমার মনে হই না ।
তাছাড়া যারা এই সেক্সুয়ালিটির কথা বলছে তাদের আন্তরিকতা নিয়া সন্দেহে থেকে যাই , কারন আমাদের মাথাই রাখতে, এই মোরালিটির কথা কারা বলছে ? কারন আমাদের সোসাইটির যে মোরাল ফ্যাক্টরি বা উৎপাদক তার যদি সোশাল ব্রেকডাউন চাই তবে তো সমস্যা বলে আমি মনে করি কারন এখন এই যে সোশাল এডুকেশন এর কথা কিন্তু আমাদের সামজের অভ্যন্তর থেকে আসছে না ! এইটার উৎস হচ্ছে রাষ্ট্র ও সরকার কিবা পারটিকুলার রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী লোকজন সুতরাং একে সন্দেহের চোখে না দেখে উপায় নাই ।
আর আমাদের সামাজিক মোরালীটি অবশ্যই নিব সামাজিকতা থেকে , সামাজের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে কারন রাষ্ট্র বা সরকার এইটা করতে গেলেই ঝামেলা হবে বলে ধারনা করা যাই।
No comments:
Post a Comment