The dilemma of Ultra Nationalist fanatics... and Donald Trump
গনতন্ত্রই ছাড়া কি মুক্তি নেই ?
চরম উগ্রতায় নাস্তিক ও আস্তিকতার মিল যেখানে
সমাজের স্বাধীন অথরিটি ও রাষ্ট্রের বৈধতার সীমানা
ইসলামে ইবাদতের ধারণা ও সামাজিকতা
বাংলার মানুষ এর নিকট নির্বাচনের প্রতি এত বেশি অনীহা তৈরি হল কেন?
হোমলেসনেস, সামাজিকতা গ্রাম ও শহরে
বৈশ্বিক সভ্যতা ও সামাজিক অস্তিত্বহীনতা
সমাজ আসলে কি ?
সামরিক বাহিনীর রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ অর্থাৎ রাষ্ট্র হিসেবে আপনার দেশ ব্যর্থ হবেই হবে
উগ্র ডানপন্থী সরকার ও তার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি শত্রুতা
রাষ্ট্রের প্রয়োজন নাগরিক জ্ঞান, দেশপ্রেম নয়! রাষ্ট্রের উচিত তার নাগরিকদেরকে নাগরিক জ্ঞান দেওয়া, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা নয়!
বিপরীত মতাদর্শের ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে গালি নয়, যুক্তির ভাষা শেখা জরুরি !
সমাজে জাজমেন্টাল মানসিকতার বাড়তে থাকা প্রবণতা এবং এর রূপান্তর
[1]
জাজমেন্টাল মানসিকতা , আগে যা সীমাবদ্ধ ছিল ব্যক্তি ও নিকট-সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে, এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া নামক অনির্দিষ্ট, অপরিচিত ও অজানা ক্ষেত্রের মধ্যে। একটি পরিবর্তন আমরা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করতে পারছি , যে পরিবর্তন আমাদেরকে চিন্তার এক নতুন বাস্তবতায় ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিবর্তন সম্পর্কে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে। আমরা যে একটি বিষয় নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তা করেছি, সেটি হলো, সমাজে ‘জাজমেন্টাল মেন্টালিটি’ দিন দিন কমার বদলে বরং বাড়ছে। অথচ, মানুষ যেখানে সমাজের প্রতি দিন দিন আরও বেশি বিমুখ হয়ে পড়ছে, সেখানে এই বিচারপ্রবণ মানসিকতার কোনো হ্রাস লক্ষ করা যাচ্ছে না। মানুষ আজ যতটা না সামাজিক বন্ধনের মধ্যে আছে, তার চেয়ে বেশি আছে বিচ্ছিন্নতায়; তবুও, আশ্চর্যজনকভাবে এই বিচ্ছিন্ন মানুষগুলো দিন দিন আরও বেশি ‘জাজমেন্টাল’ হয়ে উঠছে, এমনকি অপরিচিতদের ক্ষেত্রেও।
[2]
সমাজে এই জাজমেন্টাল মানসিকতার যে প্রভাব আমরা আগে দেখতাম, এখন তা অনেক বিস্তৃত এবং ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আগে মানুষ সাধারণত বিচার করত নিজেদের পরিচিতদের, নিকট আত্মীয়, প্রতিবেশী বা সামাজিকভাবে ঘনিষ্ঠদের। কিন্তু বর্তমানে যে সংকটটি তৈরি হয়েছে তা হলো: সমাজে সরাসরি এই বিচার প্রবণতা কিছুটা কমলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহারে মানুষ এখন অপরিচিত কাউকেও তার ছবি বা একটি ছোট ভিডিও দেখে সহজেই বিচার করে ফেলে। তার চরিত্র বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা না রেখেও মন্তব্য করে বসে। অধিকাংশ মন্তব্যই হয়ে থাকে একপাক্ষিক, অবিবেচক ও নেতিবাচক। কেউ হয়তো নিজের মত প্রকাশ করছে, কিন্তু মুহূর্তেই সেই পোস্টের নিচে উপহাস, হেয় করা মন্তব্য, ‘হা হা’ রিয়্যাকশন বা ব্যঙ্গাত্মক স্টিকার এসে জমা হচ্ছে। এটি নিছক মত প্রকাশ নয়, এটি এখন এক ধরনের মানসিক অসুস্থতায় রূপ নিয়েছে। আর সাথে আছে আবার মিম কালচার , যেকোনো কিছু হলেই মানুষেরা শুরু করছে মিম বানানো আর এসব মিম অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এত নেতিবাচক যা কল্পনাও আনাও যায় না। সামাজিক মাধ্যমে যেকোনো একটা কমেন্ট, হাহা রি আকশ্যান যতটা না ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে আমার মনে হয় মিম তার চেয়ে বেশি মানুষ কে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
[3]
আবার এই জাজমেন্টাল প্রবণতার সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন সেলিব্রেটি, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, টিকটকার, ইউটিউবাররা। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা জাছে কোন ভাবে ভাইরাল হইয়া জাওয়া কোন সাধারন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ঘটনা বেশি করে ঘটছে আর সাধারন ব্যক্তি সমাজ এটা সেলিব্রেটি দের মত এগুলাকে হ্যান্ডলও করতে পারেনা ফলে তারা প্রতিনিয়ত এমন মন্তব্যের মুখোমুখি হচ্ছেন, যা একটি সাধারণ মানুষের মানসিক স্থিতি ভেঙে দিতে পারে। এই সমালোচনা বা বিচার অনেক সময় এতটাই কটূ, এতটাই নির্মম যে তা সহ্য করা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সুতরাং, আমি মনে করি, মানুষের জাজমেন্টাল মানসিকতা কমেনি, বরং রূপান্তরিত হয়েছে এবং প্রযুক্তি ও সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে তা আরও ব্যাপক ও অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
দ্যা বুলশিট পলিটিক্স!
বাংলাদেশে কারা থাকবে?
রাষ্ট্র ধারণা মূলত কী?
রাজনীতি আসলে করবে কারা?
উগ্র জাতীয়তাবাদী
আদর্শহীন পৃথিবীর আহ্বান !
পৃথিবীতে যদি সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয়, অর্থহীন এবং ধ্বংসাত্মক সংঘাত থেকে থাকে, তবে তা হলো মতাদর্শিক (ideological) সংঘাত। এটি অনেকটা বস্তির মারামারির মতো, যেখানে সবাই নিজেদের সঠিকই ভাবে, কিন্তু কেউই প্রকৃত অর্থে সঠিক নয়, আবার পুরোপুরি সৎও নই। এই মতাদর্শিক সংঘাত আর ঝগড়া মানবসভ্যতার জন্য লজ্জাজনক এবং এটি গোটা পৃথিবীকে বিশৃঙ্খলা আর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। এই মতাদর্শিক যুদ্ধ বা সংঘাত শুরু হয়েছে মূলত বিংশ শতাব্দীর পর থেকে, যখন মানুষের মধ্যে রাষ্ট্র, জাতি চিন্তার উদ্ভব ঘটেছে আর মানুষ নতুন করে মানবাতার ধারণা পেতে শুরু করেছিল এবং উপনিবেশবাদ (colonialism)-এর পরিসমাপ্তির পর থেকেই এই ইডিওলজিকাল মতপার্থক্যের দিকে এগুতে থাকে। ঠিক তখন থেকেই মানুষ নতুন করে পারস্পারিক বিদ্বেষ, ঘৃণা এবং মতভেদের এক ভয়াবহ মহামারি নিয়ে এসেছে, যার ভিত্তি মূলত এই ইডিওলজিকাল বা মতাদর্শ এবং দর্শন আর ফিলসোফিকাল দ্বন্দ্ব।
যদিও উত্তরাধুনিক সময়কালে এই ইডিওলজিকাল দ্বন্দ্ব কমে আসছে তার জায়গা নিচ্ছে ব্যাবসা, অর্থ আর টেকনলজি/প্রযুক্তি ও ভোগবাদ কিন্তু সমস্যা হচ্ছে উন্নত দেশ এই ইডিওলজিকাল মতদ্বন্দ্ব থেকে বের হয়ে আসলেও অনুন্নত আর পিছিয়ে পড়া, পশ্চাৎপদ দেশগুলো এখনো এই আদর্শিক/ইডিওলজিকাল আবর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তাদের রাজনৈতিক পরিসর, শিক্ষাব্যবস্থা এবং নাগরিক সমাজ ( সুশীল সমাজ ) এখনো এক ধরণের অচল ও পুরাতন ভাবনার মধ্যে বন্দী, যেখানে মনে করা হয় যে একটি নির্দিষ্ট মতবাদই জাতির মুক্তি এনে দিতে পারে। অথচ এই ধারণার সময়কাল ইতোমধ্যেই ইতিহাসের গহ্বরে ( গত শতাব্দীর শেষেই ) বিলীন হয়ে গেছে।
আর এই মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব এতটাই বিপজ্জনক ও বিষাক্ত যে, দুজন মানুষ খুব কাছাকাছি অবস্থান করেও , শুধুমাত্র মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণে তারা একে অপরের থেকে বহুদূরে অবস্থান করে । আর সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক ও মানবিক দূরত্ব সৃষ্টি করে। আদর্শ , দর্শন ও মতাদর্শ ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে, যা সমাজে ও রাজনিতিতে এক গভীর সংকটের জন্ম দেয়।
মানুষের মনে রাখতে হবে আদর্শ বলতে আসলে কোন কিছু নাই। সব ভাউতা আর ভণ্ডামি মুলত ক্ষমতার লোভ আর লালসা।
দেশপ্রেমের অতিরঞ্জন আর মানবিকতার বিপদ !
পৃথিবীতে যদি কোনও সর্বজনীন গভীরতর ধ্বংসাত্মক ও অনুভবহীন ইমোশনাল ওয়েপেন থেকে থাকে, তবে তা হলো দেশপ্রেমের অতিরঞ্জন। দেশ প্রেমের অতিরঞ্জতা এই ধারণা যে, দেশ ছাড়া সব কিছু গৌণ, দেশই প্রথম এবং দেশই শেষ, এই মনোভঙ্গি আজ আমাদের সামাজিক বন্ধন, মানবিক সম্পর্ক ও স্বাভাবিক মানব প্রকৃতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, অথচ আমরা তা সচরাচর বুঝতে পারি না।
এই আধুনিক বিশ্বের যত জটিলতা, দ্বন্দ্ব ও সংঘাত চলছে, কেউ যদি প্রশ্ন করে, এসবের মূলে কী? তবে আমি বলব, এর একমাত্র উৎস হলো এই দেশভিত্তিক জাতীয়তাবাদ এবং দেশের প্রতি অন্ধ আনুগত্য। পৃথিবীর এই সংকটগ্রস্ত অবস্থার সমাধান তখনই সম্ভব, যদি আমরা এই জাতীয়তাবাদী চেতনার ধ্বংসে সক্ষম হই। তা না হলে, কোনো মুক্তির পথ নেই।
আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ হয়তো আগের তুলনায় কমেছে, কিন্তু মানবজাতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক হিংস্র, অমানবিক, ঘৃণাপূর্ণ ও ধ্বংসাত্মক আচরণে লিপ্ত। আমরা আজ এত প্রযুক্তির মাঝে থেকেও কোথাও যেন আটকে আছি, এক ধরনের অস্পষ্ট সংকটে। বিশ্বজুড়ে মানুষ আজ মানসিক শান্তি থেকে বঞ্চিত, কারন মানুষের মধ্যে
পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহানুভূতির জায়গায় ঘৃণা আর বিদ্বেষ স্থান দখল করে নিচ্ছে। কোন মানুশের
অন্তরে ঘৃণা, বিদ্বেষ, হিংসা থাকবে আর সে মানসিক শান্তিতে থাকবে এইটা কখনওই হতে পারে না তাই তো পৃথিবীর অধিকাংস মানুষ মানসিক অশান্তির
মধ্যে রয়েছে ।
অনেকেই একে বলবে survival of the fittest এর বাস্তবতা, যেখানে মানুষ বা দেশ একে অপরকে হারিয়ে টিকে থাকতে চায়। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, মধ্যযুগের পরবর্তী রেনেসাঁসের মূল লক্ষ্যই ছিল এই ঘৃণা, বিদ্বেষ, বিভাজন এবং মানবজাতির পার্থক্যকে অতিক্রম করে একটি মানবিক আধুনিক যুগের সূচনা করা। অর্থাৎ এই সারভাইভাল অফ দ্যা ফিটেশট এর নাম দিয়ে মানুশে
মানুসে যুদ্ধ , হানাহানি, ঘৃনা, বিদ্বেষ এর শেষ করে দিয়া আর এর পরিবর্তে স্থান দখল
করবে ভালবাসা, পারস্পারিক সহযোগিতা, প্রেম । কিন্তু হচ্ছে এর উল্টো!
আমাদের দার্শনিক, কবি, সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদেরা বারবার আমাদের সতর্ক করে দিয়ে গেছেন। তাহলে কি আমরা এখনও আধুনিক হতে পারিনি? আমরা কি এখনও সেই মধ্যযুগীয়, বর্বর মানসিকতার ধারাবাহিকতায় আটকে আছি?
অনেকে বলবে, এই অন্ধ জাতীয়তাবাদের পেছনে ধর্ম দায়ী। কিন্তু আসলেই কি ধর্ম দায়ী? যদি তাই হয়, তবে কি ধর্মই মানুষকে আরও ঘৃণাপূর্ণ, বিদ্বেষপ্রবণ ও হিংস্র করে তুলেছে? না, ধর্ম কখনও এমন ছিল না। আসলে, ধর্মের প্রকৃত ইতিহাস আমাদের কাছে পুরোপুরি ও সত্যভাবে পৌঁছায়নি। আপনি দেখবেন, মধ্যযুগের ইউরোপীয় বা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইতিহাস বলতে গেলে আমাদের শেখানো হয়, ধর্ম, পুরোহিত আর যাজক শ্রেণি মধ্যযুগের সব সমস্যার মূল ছিল। মনে হয় যেন ধর্মই অন্ধকার যুগের প্রধান কারণ, যেন পৃথিবীর কাল আর কলংক
জনক যত ইতিহাস তার সব ধর্মের ছাড়া আর কারও না!
কিন্তু এই ইতিহাস কি সত্যিই নিরপেক্ষ? এই ইতিহাস কি কাটছাঁট করা হয়নি ? ধর্মের এই কলংক জনক ইতিহাস কি যাচাই করা হয়েছে? মোটেও না। তাহলে কীভাবে ধর্মকে মানবতা ও মানবিকতার বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হলো? কে বা কারা করল এই কাজ? ধর্মের বিরুদ্ধে এত ঘৃণা আমাদের সমাজে কীভাবে প্রবেশ করল?
আজকের আধুনিক যুগে ধর্ম আর মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে না, ধর্মের সেই ক্ষমতা আর নেই। তবুও, সব সমস্যার জন্য ধর্মকে দায়ী করা হয়, এটা কি খুব অদ্ভুত নয়? দেখা যাচ্ছে, বহু অপরাধ ও সহিংসতা এমন কিছু মানুষ করছে, যারা ধর্মকে ব্যবহার করে কিন্তু আসলে নিজেরা সব দায়মুক্ত থাকে। পৃথিবীর অশান্তি, বিদ্বেষ ও বিভাজনের প্রকৃত কারণ না হয়েও ধর্মই যেন সেই সকলের একমাত্র দায়ী হয়ে উঠে!
এই ছায়াময় ইতিহাসের পেছনে রয়েছে এক ধরনের shadow people ,যারা ক্ষমতার স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে, ধর্মকে অপরাধের মুখে দাঁড় করিয়ে নিজেরা ক্ষমতার চূড়ায় উঠে যায়। এরা সমস্যার সৃষ্টিকর্তা নয়, বরং সমস্যা সৃষ্টি করে ধর্মকে ফাঁদে ফেলে নিজেদের দায় এড়িয়ে যায়। আর এই শ্যাডো পিপল
গুলাই হচ্ছে রাজনীতিবিদ, সরকারি আমলা, সামরিক বাহিনীর লোকেরা আর এরা যেকোনো যুগের ইতিহাসে
আপনি পেয়ে যাবেন , শুধুযে এই যুগের তা কিন্তু না ! এই শ্যাডো পিপলদের কে আপনি পেয়ে
যাবেন ইতিহাসের যেকোনো বাকে। আর এরাই হচ্ছে এনিমি অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড, ভালবাসা, পারস্পারিক
সহযোগিতা আর প্রেমের , মানুষের আর মানবিকতার ।
প্রশান্তি কী ?
প্রশান্তি কী? প্রশান্তি হলো প্রকৃতির সাথে নিঃশব্দে লেপ্টে থাকা, কিছু সময়ের জন্য সব চিন্তা, সব কোলাহল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া। সেই সাথে আপ...
-
নির্বাচনী সহিংসতা দরিদ্র ও অনুন্নত রাষ্ট্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। দেখুন, পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে এমনকি স...
-
1. আমরা কুসংস্কারের সাথে অতি পরিচিত। এই কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, মিথ, মিথলজি ,সবকিছুই আমাদের সোসাইটি ও রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রায় বড় বাধা হয়ে দ...
-
Donald Trump will become an example for all the nationalists and Ultra Nationalist political fanatics across the world. Who thinks that a Na...

