আমরা যে সমালোচনা করি যেটাকে আমরা ক্রিটিসিজম বলি। আমরা সরল ভাবে সমালোচনা বা ক্রিটিসিজম শব্দটাতেই থাকি। আমরা দেখি অনেক ক্ষেত্রেই সমালোচনা যখন করি তা ব্যক্তি, সংস্থা কি বা সংগঠনের ইভেন দেশ বা স্থানের ও জাতির সমালোচনায় আমার কাছে যে বিষয়টা খটকা বা খারাপ লাগা মনে হয় এই কারণে যে অনেক ক্ষেত্রে সমালোচনা করি সমালোচিত পক্ষের প্রতি কিছুটা বিক্ষুব্ধ, ক্ষোভ, ঘৃণা সংমিশ্রণ থাকে ফলে আমাদের সমালোচনার ভাষায় হয়ে উঠে শুধুই বিরোধিতা। ফলে যার সমালোচনা করা হচ্ছে , সেই পক্ষ ওই সমালোচনাকে সমালোচনা হিসাবে না নিয়ে বিরোধিতা হিসেবেই নেই এখানেই ঝামেলা সুতরাং আমরা যারা সমালোচনা করি, যারই সমালোচনা করি না কেন যত বড়ই প্রতিষ্ঠান বা দেশ কি বা জাতিই হোক না কেন, সমালোচনা করতে হবে সমালোচনার খাতিরে,সংশোধনের খাতিরে, ভুলের মাত্রাটা ধরিয়ে দিতে, তার ডিসফাংশনটা তুলে ধরতে। যারা সমালোচনা করব এইটা আমাদের মাথায় থাকতে হবে এবং যার সমালোচনা আমি করছি তাকেও আমাকে বোঝাতে হবে বা সেও যেন বুঝতে পারে যে আমি তার সংশোধনের জন্যই যে আমি সমালোচনা করছি সেও যেন এই বিষয়টা অনুধাবন করতে পারে।
সমালোচনার ভাষা হবে নিরপেক্ষ, ব্যক্তি নিরপেক্ষ জাতি ধর্ম বর্ণ নিরপেক্ষ।

No comments:
Post a Comment